আগামী বছর গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে মোট ৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
তিনি বলেন, চলমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা করে কৃষি অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে নবায়নযোগ্য এ জ্বালানিই সবচেয়ে কার্যকর পথ।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে রাজশাহীতে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর প্রভাব পড়েছে দেশেও। বর্তমানে দেশে এ সংকট মোকাবিলায় একটি পথই খোলা রয়েছে, আর সেটি হলো সৌরবিদ্যুৎ। সরকারের লক্ষ্য আগামী বছর গ্রীষ্মের আগেই এই খাত থেকে মোট ৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা। এটি সম্ভব হলে বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলার পাশাপাশি আমাদের কৃষি অর্থনীতির উন্নয়নও অব্যাহত থাকবে।
গত আট মাসের বিদ্যুৎ সরবরাহের খতিয়ান তুলে ধরে তিনি জানান, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার ইতোমধ্যে ৪৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে। তাই নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
সবাইকে বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনে উৎসাহিত করে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি তৈরিতে সবার এগিয়ে আসা উচিত। ব্যক্তি পর্যায়েও সোলার প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০ টাকা হারে কিনে নেবে। এ বিষয়ে সব পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় আরও অংশ নেন- ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং রাজশাহী জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা। রাজশাহীর কর্মসূচি শেষে এদিন বেলা ৩টায় নাটোর জেলায় একই ধরনের আরেকটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীর।