Jahirul Hasan
প্রকাশ : Oct 14, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে আসছেন মার্কো রুবিও

দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করা, জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং বাণিজ্যিক বিনিয়োগ বাড়ানোই এ সফরের প্রধান লক্ষ্য। 

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর এ তথ্য জানিয়েছে।
সফরকালে রুবিও ভারতের মুম্বাই ও জামনগর শহর পরিদর্শন করবেন। সেখানে তিনি দেশটির জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত অংশীদারত্ব, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।

ভারত সফরের আগে উজবেকিস্তানের সমরকন্দে মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠকে অংশ নেবেন রুবিও। সেখানে বৈঠক শেষে তার ভারত সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারতীয় সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে রুবিও যুক্তরাষ্ট্র-ভারত কৌশলগত অংশীদারত্ব শক্তিশালী করার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করবেন। একই সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করবেন তিনি।

এছাড়া দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ খুঁজতে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

মে মাসের পর দ্বিতীয়বার ভারত সফর
চলতি বছরের মে মাসের পর এটি হবে রুবিওর দ্বিতীয় ভারত সফর। এর আগে মে মাসে নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের আয়োজনে কোয়াডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে গঠিত কোয়াডের সদস্যদেশগুলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতা ও কৌশলগত সমন্বয় জোরদারে কাজ করে।

রুবিওর এবারের সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লি দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত সম্পর্ক গভীর করা, অর্থনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানো এবং জ্বালানি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা দুই দেশের আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

জামনগর সফর ঘিরে আগ্রহ কেন?
রুবিওর সম্ভাব্য সফরসূচিতে গুজরাটের জামনগর শহরের নাম থাকায় বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। শহরটিতে রয়েছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের বিশাল তেল শোধনাগার কমপ্লেক্স, যা বিশ্বের বৃহত্তম একক স্থানের তেল শোধনাগার স্থাপনাগুলোর একটি।

কমপ্লেক্সটির দৈনিক অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের সক্ষমতা প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল। ভারতের জ্বালানি ও তেল পরিশোধন শিল্পে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র।

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে সম্পর্ক সম্প্রসারণের আলোচনা চলার প্রেক্ষাপটে জামনগর সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং বৈশ্বিক জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো এ সফরে গুরুত্ব পেতে পারে।

গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টেক্সাসের ব্রাউনসভিলে একটি নতুন তেল শোধনাগার নির্মাণের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন। তিনি প্রকল্পটিকে গত ৫০ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম নতুন তেল শোধনাগার প্রকল্প হিসেবে বর্ণনা করেন।

ট্রাম্পের ঘোষণায় বলা হয়েছিল, প্রকল্পটিতে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ ৩০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে। এই বিপুল বিনিয়োগের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের জ্বালানিসংক্রান্ত বাণিজ্যিক সম্পর্কের আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করে।

রুবিওর জামনগর সফরে জ্বালানিসংক্রান্ত বিনিয়োগ এবং দুই দেশের বৃহত্তর বাণিজ্যিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও আলোচ্যসূচি বা সমঝোতার কথা মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানায়নি।

ভারত সফরের আগে উজবেকিস্তানে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
ভারত যাওয়ার আগে সমরকন্দে অনুষ্ঠিতব্য ‘সি৫+১’ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন রুবিও। এ কূটনৈতিক প্ল্যাটফর্মে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মধ্য এশিয়ার পাঁচটি দেশ- উজবেকিস্তান, কাজাখস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও কিরগিজ প্রজাতন্ত্র- অংশ নেয়।

এ প্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বয় জোরদার করা।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, বৈঠকে কৌশলগত যোগাযোগ ও আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে আসছেন মার্কো রুবিও
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আগামী ১৭ থেকে ২২ অক্টোবর ভারত সফর করবেন। 

দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করা, জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং বাণিজ্যিক বিনিয়োগ বাড়ানোই এ সফরের প্রধান লক্ষ্য। 

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর এ তথ্য জানিয়েছে।

সফরকালে রুবিও ভারতের মুম্বাই ও জামনগর শহর পরিদর্শন করবেন। সেখানে তিনি দেশটির জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত অংশীদারত্ব, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।

ভারত সফরের আগে উজবেকিস্তানের সমরকন্দে মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠকে অংশ নেবেন রুবিও। সেখানে বৈঠক শেষে তার ভারত সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারতীয় সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে রুবিও যুক্তরাষ্ট্র-ভারত কৌশলগত অংশীদারত্ব শক্তিশালী করার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করবেন। একই সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করবেন তিনি।

এছাড়া দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ খুঁজতে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

মে মাসের পর দ্বিতীয়বার ভারত সফর
চলতি বছরের মে মাসের পর এটি হবে রুবিওর দ্বিতীয় ভারত সফর। এর আগে মে মাসে নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের আয়োজনে কোয়াডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে গঠিত কোয়াডের সদস্যদেশগুলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতা ও কৌশলগত সমন্বয় জোরদারে কাজ করে।

রুবিওর এবারের সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লি দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত সম্পর্ক গভীর করা, অর্থনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানো এবং জ্বালানি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা দুই দেশের আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

জামনগর সফর ঘিরে আগ্রহ কেন?
রুবিওর সম্ভাব্য সফরসূচিতে গুজরাটের জামনগর শহরের নাম থাকায় বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। শহরটিতে রয়েছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের বিশাল তেল শোধনাগার কমপ্লেক্স, যা বিশ্বের বৃহত্তম একক স্থানের তেল শোধনাগার স্থাপনাগুলোর একটি।

কমপ্লেক্সটির দৈনিক অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের সক্ষমতা প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল। ভারতের জ্বালানি ও তেল পরিশোধন শিল্পে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র।

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে সম্পর্ক সম্প্রসারণের আলোচনা চলার প্রেক্ষাপটে জামনগর সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং বৈশ্বিক জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো এ সফরে গুরুত্ব পেতে পারে।

গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টেক্সাসের ব্রাউনসভিলে একটি নতুন তেল শোধনাগার নির্মাণের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন। তিনি প্রকল্পটিকে গত ৫০ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম নতুন তেল শোধনাগার প্রকল্প হিসেবে বর্ণনা করেন।

ট্রাম্পের ঘোষণায় বলা হয়েছিল, প্রকল্পটিতে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ ৩০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে। এই বিপুল বিনিয়োগের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের জ্বালানিসংক্রান্ত বাণিজ্যিক সম্পর্কের আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করে।

রুবিওর জামনগর সফরে জ্বালানিসংক্রান্ত বিনিয়োগ এবং দুই দেশের বৃহত্তর বাণিজ্যিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও আলোচ্যসূচি বা সমঝোতার কথা মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানায়নি।

ভারত সফরের আগে উজবেকিস্তানে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
ভারত যাওয়ার আগে সমরকন্দে অনুষ্ঠিতব্য ‘সি৫+১’ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন রুবিও। এ কূটনৈতিক প্ল্যাটফর্মে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মধ্য এশিয়ার পাঁচটি দেশ- উজবেকিস্তান, কাজাখস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও কিরগিজ প্রজাতন্ত্র- অংশ নেয়।

এ প্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বয় জোরদার করা।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, বৈঠকে কৌশলগত যোগাযোগ ও সহযোগিতার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর জন্য আরও শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।

সমরকন্দে অবস্থানকালে রুবিও মধ্য এশিয়ার পাঁচ দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

মধ্য এশিয়ায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে মার্কিন উদ্যোগ
রুবিওর সঙ্গে মধ্য এশিয়া সফরে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০ জনেরও বেশি ব্যবসায়ী নেতা অংশ নেবেন। বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদলের এ সফরের লক্ষ্য ওই অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব জোরদার করা এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজে বের করা।

যুক্তরাষ্ট্রের এ উদ্যোগে মধ্য এশিয়ায় বাণিজ্যিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে বৈঠক শেষে রুবিওর ভারত সফর যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক তৎপরতার অংশ। এ সফরে একদিকে মধ্য এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ও কৌশলগত যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা চলবে, অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে জ্বালানি, বিনিয়োগ ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার সুযোগ তৈরি হবে। 

সূত্র: ব্লুমবার্গ ইন্ডিয়া, টাইমস অব ইন্ডিয়া, ওয়িয়ন নিউজ

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বেরোবিতে ‘সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল সুরক্ষা’ বিষয়ক প্রশিক্ষ

1

তৃণমূল থেকে প্রতিভা খুঁজতে চাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

2

বিশ্বকাপের আগে দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতি কি রাখবেন ইয়ামাল?

3

ব্যবসা ও প্রযোজনার নানা গল্প নিয়ে ‘Light Camera Action’-এ ইঞ

4

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ

5

সাংবাদিকদের সামনে জীবিত অবস্থায় নিজ সেনাকে দেখালো পাকিস্তান

6

সিপিএলের অভিষেক রাঙিয়ে যা বললেন মিরাজ

7

এনআইডি সংশোধন : বছরে আবেদন প্রায় ১০ লাখ, পেন্ডিং দেড় লাখ

8

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হবে: প্রতিমন্ত্

9

হজযাত্রীদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক

10

ফুটপাতে আর কোনো হকার বসতে দেওয়া হবে না : প্রশাসক

11

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পুতিন

12

ফিফা সভাপতির দিন কি শেষ, উয়েফা কি বিশ্বকাপ বয়কট করবে?

13

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর কান ধরলেন সোনাক্ষী! কার কাছে চাই

14

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে মালদ্বীপে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

15

‘আমাদের সম্পর্ক কবর পর্যন্ত বেঁচে থাকুক’

16

জকসুর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক নূর মোহাম্মদের ওপর ফের ছাত্

17

দিল্লিতে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক

18

মির্জা ফখরুলকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ পাকিস্তানের প্রেসিডে

19

জামায়াত এমপির ঘটনার তদন্ত চান তাসনিম জারা

20