প্রিন্ট এর তারিখঃ Nov 5, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Nov 5, 2026 ইং
ইরানে হামলার নির্দেশ দিতে পারেন ট্রাম্প, হরমুজ প্রণালিতে জ্বলছে ৫ ট্যাংকার

হরমুজ প্রণালিতে নৌ-মাইন বা পানিতে পেতে রাখা বোমার আঘাতে আরও দুটি তেলের ট্যাংকারে আগুন ধরেছে বলে জানিয়েছে ইরানের নৌবাহিনী। এর মাধ্যমে গত ২৪ ঘণ্টায় ওই পানিপথে অন্তত ৫টি ট্যাংকারে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেল। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর প্রকাশ করেছে নিউইয়র্ক টাইমস।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেশটির নৌবাহিনী জানিয়েছে, সামুদ্রিক সতর্কতা উপেক্ষা করে এবং সমন্বয় ছাড়াই নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশ করার কারণেই এই দুই তেলের ট্যাংকারে আগুন ধরেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় অনুমোদনহীন পথ ব্যবহার করে পার হওয়ার চেষ্টা করায় মোট পাঁচটি ট্যাংকারে আগুন লাগার কথা জানিয়েছে নৌবাহিনী।
এদিকে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে একটি ড্রোন ধ্বংস করার কথা জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক মাধ্যম এক্সে এই তথ্য জানান। এর আগে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের মদিনা অঞ্চলে আঘাত হানার আগে ধ্বংস করার দাবি করেছিল জোট, যদিও হুতিরা এ দাবি অস্বীকার করেছে।
অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের কর্মকর্তা ও সামরিক কমান্ডারদের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ও নৌবাহিনীর হাজার হাজার সেনা মধ্যপ্রাচ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ঘাঁটিতে এবং ডজনের বেশি জাহাজে প্রস্তুত রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ পেলেই তারা ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করবে। গত মাসেও পত্রিকাটি জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য এই হামলা হবে সংক্ষিপ্ত তবে তীব্র। সে সময় মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছিল, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মজুত এই হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
এই ওয়েবসাইটের সকল ছবি ও ভিডিও অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার করা নিষেধ। উক্ত নিউজ পোর্টালটির নিবন্ধন কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।